সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে।
বাংলাদেশ হিন্দু যুব পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক অমিত ভৌমিক রবিবার (১ আগস্ট) অধ্যাপক কার্জনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মাহফুজুল হক ভূঁইয়া মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, হাফিজুর রহমান কার্জন মানহানিকর সর্বোপরি সনাতন ধর্মের ভগবানকে নিয়ে হেয় করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন। যেটি ইতোমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। এর মাধ্যমে তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট, ধর্মীয় উগ্রবাদ সৃষ্টি, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে অস্থিতিশীল এবং সরকারকে বিব্রত করার মানসে স্বেচ্ছায় ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন।
এ বিষয়ে অধ্যাপক কার্জন বলেন, “আমার লেখা যে তাদের অনুভূতিতে আঘাত করবে, সেটি আমার অজানা ছিল। অবগত হওয়ার পর আমি নিজেই ক্ষমা চেয়েছি এবং লেখাটি মুছে ফেলেছি। গল্প, চলচ্চিত্র এবং গানে অনেক সময় অনেক কিছু রূপক অর্থে ভগবানের সঙ্গে তুলনা করা হয়। সে অর্থে আমার স্ট্যাটাসটি কৌতুক করে লেখা ছিল। তবে এর জন্য আমি ক্ষমা প্রার্থনা করেছি, ভুল স্বীকার করেছি।”
“এরপরেও মামলা করা হয়েছে। আমি মনে করি, আমাকে হয়রানীর উদ্দেশ্যে অহেতুক মামলা করা হলো।”
হাফিজুর রহমান কার্জন বর্তমানে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন। সুস্থ হলে তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন বলে জানা গেছে।