জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা ধর্ষণের শিকার ‘১১ বছরের’ সেই শিশুটি শনিবার পুত্র সন্তান জন্ম দিয়েছে। যার ওজন আড়াই কেজি।

যশোর সদর হাসপাতালে ৭ সেপ্টেম্বর  শনিবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে ডা. নিলুফার ইসলাম ও ডা. তানজিলা ইসলাম তার সিজার করেন।

ডা. নিলুফার ইসলাম জানান, মা ও শিশু সুস্থ আছে। তবে অল্প বয়সে মা হওয়ায় তার অবস্থা খুব বেশি ভালো নয়।

শিশুটির স্বজনরা জানান, ৮ মাসের অন্ত:সত্ত্বা শিশুটির শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় ৪ সেপ্টেম্বর বুধবার যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তার অবস্থা জটিল হওয়ায় হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে খুলনায় রেফার্ড করেন। টাকার কারণে তাকে খুলনায় নিতে না পারায় শিশুটিকে যশোর জেনারেল হাসপাতালেই ভর্তি করানো হয়।

পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের মণিরামপুর শাখার সহকরী কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া ওই শিশুটিকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ রয়েছে। শিশুটি গোলাম কিবরিয়ার বাড়ির গৃহপরিচারিকা। কিবরিয়া মণিরামপুর উপজেলার তাহেরপুর এলাকার বাসিন্দা।

ভিকটিমের বাবার দাবি, তার মেয়ের বয়স ১১ বছর। গত জানুয়ারিতে বাড়িতে একা পেয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করে কিবরিয়া।
ঘটনা কাউকে জানালে তাকে মেরে ফেলা হবে বলে হুমকি দেয়া হয়।

মণিরামপুর থানার এসআই সুমন বিশ্বাস জানান, চিকিৎসকরা যখন জানায় মেয়েটি পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা তখন বিষয়টি সামনে চলে আসে।

ভিকটিমের বাবা মামলা করলে কিবরিয়াকে গত ১ জুলাই গ্রেপ্তার করা হয়।

ইউএনবি

মন্তব্য করুন