গৃহবধূ ধর্ষণের নানা নাটকীয়তার পাঁচ দিন পর অবশেষে ধর্ষণ মামলা নিল থানা পুলিশ।১১ ডিসেম্বর বুধবার রাতে মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ। এ ঘটনায় ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে মানিক মিয়া ও শামীম ওসমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

৭ ডিসেম্বর  শনিবার লক্ষ্মীখোলার সুপারি বাগানের একটি ভাড়া বাড়িতে ওই গৃহবধূ ধর্ষণের শিকার হন। মুক্তাগাছা উপজেলার ভাবকী গ্রামের হাজি আব্দুল কাদেরের ছেলে শামীম ওসমান তার সঙ্গে কথা আছে বলে একই এলাকার এক গৃহবধূকে ডেকে আনে লক্ষ্মীখোলা বাগানবাড়ির জামে মসজিদের পেছনের একটি ভাড়া বাসায়। সেখানে আগে থেকে অবস্থান করা লক্ষ্মীখোলার কামাল হোসেনের ছেলে মানিক মিয়া ওই গৃহবধূকে ঘরে আটকে ধর্ষণ করে। এ সময় শামীম ওসমান ও তার স্ত্রী তানিয়া গোপনে ধর্ষণের দৃশ্য মোবাইল ফোনে ভিডিও করে। ঘটনার পরদিন শামীম ওসমান ওই ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে ওই দিনও তার বাসায় যেতে বলে। তার কথায় রাজি না হওয়ায় ভিডিও ছেড়ে দেওয়াসহ নানা ভয়ভীতি দেখায় ওই নারীকে। ধর্ষিত ওই নারী সেদিনই বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পুলিশ মামলা না নিয়ে ওই তাকে প্রমাণসহ ফের থানায় আসতে বলে। মঙ্গলবার রাতে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় প্রেসক্লাবে এসে আশ্রয় নেন। পরে সাংবাদিকদের সহযোগিতায় ধর্ষিত নারী থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। এর পরও মামলা না নিতে থানা পুলিশ টালবাহানা শুরু করে। অবশেষে সাংবাদিকদের হস্তক্ষেপে বুধবার রাতে পুলিশ মামলা নিতে বাধ্য হয়।

সমকাল

মন্তব্য করুন