মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

১৫ জানুয়ারি বুধবার রাতে উপজেলার চারিগ্রাম ইউনিয়নের বড়াটিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ওই এলাকার চারজনকে আটক করেছে থানা-পুলিশ। তারা এলাকায় নেশাখোর হিসেবে পরিচিত। ভূক্তভোগী নারীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।

ধর্ষণের শিকার নারীর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার দিবাগত রাত ৯টার দিকে স্বামী-স্ত্রী দুই শিশু সন্তানকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত প্রায় সাড়ে ১২ টার দিকে সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে ৬-৭ জন নেশাখোর। এ সময় তারা গৃহকর্তাকে রশি ও কাপর দিয়ে হাত-পা বেঁধে তার স্ত্রীকে পাশের রুমে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে গৃহকর্তার ব্যবহৃত মুঠোফোন নিয়ে পালিয়ে যায়।

১৬ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার ভোরে গুরুতর অবস্থায় ধর্ষিত ওই নারীকে স্বজনরা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। সকাল ১০টার দিকে সেখান থেকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়।

পরে খবর পেয়ে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সিঙ্গাইর সার্কেল) আলমগীর হোসেন, পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) আব্দুস সাত্তার মিয়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ঘটনায় ওই নারীর স্বামীর দেওয়া তথ্যমতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করেছে থানা-পুলিশ। আটককৃতরা হলেন, মধ্য চারিগ্রাম গ্রামের মতিয়ার (৪৫), আব্দুল মাজেদ (৪০), জহুরুল (৩০) ও লেবু মিয়া (৩৫)। তারা সবাই এলাকায় নেশাখোর হিসেবে পরিচিত।

থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) আব্দুর সাত্তার মিয়া বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বলেন, এ ঘটনায় আটক চার জনসহ অভিযুক্তদের নামে থানায় মামলা দায়ের করেছেন ধর্ষণের শিকার নারীর স্বামী। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

দেশ রূপান্তর

মন্তব্য করুন