মাদ্রাসায় পড়ুয়া শিশু ছাত্রকে বলাৎকারের দায়ে হুমায়ুন কবীর (৩০) নামের মসজিদের এক মুয়াজ্জিনকে আটক করেছে পুলিশ। গত ১১ তারিখ, মঙ্গলবার রাতে ভোলা জেলার লালমোহন পৌর এলাকার ৫নং ওয়ার্ডের কাশেমিয়া উলুম কওমী মাদ্রাসার একটি কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
বলাৎকারের দায়ে আটক হুমায়ুন কবীর কাশেমিয়া উলুম কওমী মাদ্রাসাসংলগ্ন জামে মসজিদের মুয়াজ্জিন এবং ওই মাদ্রাসার শিক্ষক। লালমোহন থানার ওসি মীর খায়রুল কবির বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ব্যক্তি ঘটনার সততা স্বীকার করেছে।
এ ব্যপারে শিশুটির মা রহিমা বেগম বাদী হয়ে গতকাল বুধবার লালমোহন থানায় মামলা করেছেন। মামলা নং-৭।
মামলার এজাহার সুত্রে জানাগেছে, তামিম হোসেন (১০) নামের এই ছাত্রটি প্রায় ১ বছর আগে কাশেমিয়া উলুম কওমী মাদ্রাসার হেফজ্ বিভাগে ভর্তি হয়। তার বাড়ি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার বড় মানিকা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে। ঈদের ২ দিন আগে মাদ্রাসা বন্ধ হলে সে ছুটিতে বাড়ি যায়। আজ ১৫ জুন মাদ্রাসা খোলার কথা। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের আগেই ছাত্রটির মাকে ফোন করে মাদ্রাসা খোলা হয়েছে বলে জানিয়ে তামিমকে মাদ্রাসায় দিয়ে যেতে বলে শিক্ষক হুমায়ুন কবীর।
শিক্ষকের কথামতো সোমবার সকালে তামিমকে মাদ্রাসায় পৌছে দেয় মা। রাতে তামিম ও শিক্ষক হুমায়ুন কবীর পাশপাশি কক্ষে ঘুমায়। রাত ১০টার দিকে তামিমকে বলাৎকার করে শিক্ষক হুমায়ুন কবীর। এসময় তামিমের চিৎকার ও চেঁচামেচিতে পথচারীরা এগিয়ে গিয়ে দরজা খুলে শিক্ষক হুমায়ুন কবীরকে বিব্রতকর অবস্থায় পায়। পরে তাকে ধরে উত্তম-মধ্যম দিয়ে পুলিশে খবর দেয়।