যশোরে বাসের মধ্যে রাজশাহী থেকে আসা তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগে সাতজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারের পর শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে তাদের আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন যশোর কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (ইনসপেক্টর) ও এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেখ আবু হেনা মিলন।
এর আগে ৯ অক্টোবর শুক্রবার রাতে ভুক্তভোগী ওই তরুণী নিজে বাদী হয়ে সাতজনকে আসামি করে কোতয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন বলে জানান তিনি। মামলার সাত আসামি হলো – যশোর সদর উপজেলার রামনগর ধোপাপাড়ার বাস শ্রমিক মনিরুল ইসলাম, শহরের বারান্দী মোল্লাপাড়া এলাকার শাহিন হোসেন জনি, সিটি কলেজপাড়ার কৃষ্ণ বিশ্বাস, সুভাষ সিংহ, বারান্দী কাঁঠালতলার বৌবাজার এলাকার রাকিবুল ইসলাম রকিব, বারান্দীপাড়ার কাজী মুকুল ও বেজপাড়া কবরস্থান রোড এলাকার মঈনুল ইসলাম।
মামলার অভিযোগে সূত্রে জানা যায়, ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকালে রাজশাহীর বহদ্দার মোড় থেকে এমকে পরিবহনের একটি বাসে যশোরে আসছিলেন ওই তরুণী। পথিমধ্যে ওই বাসের সুপারভাইজার তার সাথে আলাপ জমিয়ে তোলে। এক পর্যায়ে ওই তরুণীকে ফলের রস খেতে দেয় সে। ফলের রস খেয়ে অচেতন হয়ে পড়ে ভুক্তভোগী ওই তরুণী। জ্ঞান ফিরে পাওয়ার পর ওই তরুণী বুঝতে পারেন যে তিনি গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। তিনজন ব্যক্তি ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
ইনস্পেক্টর শেখ আবু হেনা মিলন বলেন, “মামলা দায়েরের আগেই এ বিষয়ে অবগত হয়ে অভিযুক্ত সাত ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে এই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে শনিবার দুপুরে তাদের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদৎ হোসেন আসামিদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।”