লেখক মনির হোসেন সাগর হত্যা
হুমায়ুন আজাদে উপর হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া জেমএমবির কুমিল্লা জেলা কমান্ডার মিনহাজ শাওন ২০০৬ সালে পুলিশী জিজ্ঞাসাবাদে অতীতে এক লেখককে হত্যার কথা স্বীকার করে। লেখকের নাম মনির হোসেন সাগর। তার বাড়ি টাঙাইলে।...
কবি মনির হোসেন সাগরকে হত্যা
হুমায়ুন আজাদে উপর হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া জেমএমবির কুমিল্লা জেলা কমান্ডার মিনহাজ শাওন ২০০৬ সালে পুলিশী জিজ্ঞাসাবাদে অতীতে এক লেখককে হত্যার কথা স্বীকার করে। লেখকের নাম মনির হোসেন সাগর। তার বাড়ি টাঙাইলে।...
আহমদিয়া মসজিদে বোমা হামলা
খুলনার আহমদিয়া মসজিদে বোমা হামলায় ৮ জন নিহত, আহত ৫০ জন।
হামলার তিনদিন পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আহমেদিয়া মসজিদের প্রধান কার্যালয় ঢাকা থেকে একটি টাইম বম্ব উদ্ধার করে। দুদিন পর আহমেদিয়া মসজিদের মিরপুর শাখা থেকে আরও...
উদীচী সম্মেলনে বোমা হামলা
১৯৯৯ সালের ৫ ও ৬ মার্চ তারিখে যশোর টাউন হল মাঠে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর দ্বাদশ জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রথমদিনের অনুষ্ঠান সফলভাবে সমাপনের পর ৬ তারিখ ছিলো সমাপনী অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে বাউল...
কবি শামসুর রাহমান, এনজিও নেতা ড. কাজী ফারুক আহমদ ও জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরীকে...
১৯৯৯ সালের মার্চ মাসে রাজধানী ঢাকায় উগ্র মৌলবাদী সংগঠনগুলির মাের্চা ইসলামী ঐক্যজোট একটি জনসভা করে কবি শামসুর রাহমান, এনজিও নেতা ড. কাজী ফারুক আহমদ ও জাতীয় অধ্যাপক কবীর চৌধুরীকে হত্যা করে বঙ্গোপসাগরে ভাসিয়ে দেবার...
কবি শামসুর রাহমানের উপর হামলা
ইসলাম বিরোধী কবি অভিযোগ এনে শামসুর রাহমানকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। নিজেদের ছাত্রলীগের কর্মী পরিচয় দিয়ে ১৯৯৯ সালের ১৮ জানুয়ারি “হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী” (সংক্ষেপে হুজি) দলের সদস্যরা কবিতা সংগ্রহের নামে শামসুর রাহমানের বাড়িতে যায়। সময়-সুযোগ...
নাগরিক কবি শামসুর রাহমানের উপর হামলা
ইসলাম বিরোধী কবি অভিযোগ এনে শামসুর রাহমানকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। নিজেদের ছাত্রলীগের কর্মী পরিচয় দিয়ে ১৯৯৯ সালের ১৮ জানুয়ারি “হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী” (সংক্ষেপে হুজি) দলের সদস্যরা কবিতা সংগ্রহের নামে শামসুর রাহমানের বাড়িতে যায়। সময়-সুযোগ...
হুমায়ূন আজাদের আলোচিত বই ‘নারী’ নিষিদ্ধ
১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দের ১৯ নভেম্বর নারী (১৯৯২) নিষিদ্ধ করে তখনকার বিএনপি সরকার।বইটি নিষিদ্ধ করার আদেশপত্রে বলা হয়, "পুস্তকটিতে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতি তথা মৌলিক বিশ্বাসের পরিপন্থী আপত্তিকর বক্তব্য প্রকাশিত হওয়ায় সরকার কর্তৃক ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ 'ক'...
আনিসুল হকের অন্ধকারের একশ বছর
১৯৯৫ সালে আনিসুল হকের অন্ধকারের একশ বছর বইটি ধর্মীয় মৌলবাদীদের ক্ষোভের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পরবর্তীতে ২০১০ সালে সন্দেশ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত আনিসুল হকের বইটিতে ‘ছহি রাজাকারনামা’ ছাড়াও ‘আইয়ামে জাহেলিয়াত’, ‘নমিনেশন ইন্টারভিউ গাইড’সহ কয়েকটি লেখা...
তসলিমা নাসরিনের দেশ ত্যাগ
১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দের মে মাসে দ্য স্টেটসম্যান পত্রিকার এক সাক্ষাৎকারে তিনি ইসলামি ধর্মীয় আইন শরিয়া অবলুপ্তির মাধ্যমে কুরআন সংশোধনের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এর ফলে ইসলামি মৌলবাদীরা তাঁর ফাঁসির দাবী জানাতে শুরু করে। তিন লাখ মৌলবাদী...
ড. আহমদ শরীফের বাসায় ককটেল বোমা হামলা
১৯৯৪ সালের ১৬ জুন রাত দশটায় ৪/৫ জন উগ্রপন্থী ড. আহমদ শরীফের বাসা লক্ষ্য করে ৪টি ককটেল নিক্ষেপ করে। এতে অবশ্য কেউ হতাহত হয়নি। উল্লেখ্য, কয়েকটি মৌলবাদী সংগঠন বেশ কিছুদিন যাবত ড. আহমদ শরীফের ফাঁসির...
তসলিমা নাসরিনের লজ্জা নিষিদ্ধকরণ
১৯৯৩ সালে তসলিমা নাসরিনের ‘লজ্জা’ বইটি নিষিদ্ধ করা হয়। জনমনে বিভ্রান্তি ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অঙ্গনে বিঘ্ন ঘটানো এবং রাষ্ট্র বিরোধী উসকানিমূলক বক্তব্য প্রকাশিত হওয়ার জন্য ‘লজ্জা’ নামক বইটির সকল সংস্করণ...
আহমদ শরীফের বিরুদ্ধে আন্দোলন
১৯৯২ সালের ২১ অক্টোবর ‘স্বদেশ চিন্তা সংঘে’র এক সেমিনারে আহমদ শরীফ বলেন, “ইসলাম টিকে আছে ইতরদের মধ্যে।” এই কথাটাকে উদ্ধৃত করে জামাত শিবিরের লোকজন উন্মত্তের মত ঝাঁপিয়ে পড়ল। সেই আগুনে ঘি ঢেলে উস্কে দিলেন দৈনিক...
মুসলিম মিল্লাতের আত্মপ্রকাশ
১৯৮৯ সালের ১২ ডিসেম্বরে পুলিশ পীর মেজর (অব.) মতিউর রহমানের আস্তানায় অভিযান চালাতে গেলে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধ হয়। আড়াই দিন ধরে চলে ওই বন্দুকযুদ্ধ। এতে পুলিশের দুই সদস্যসহ ২১ জন নিহত হন। আহত হন...
অধ্যাপক ড. মুজাহিদ হােসেন ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত
১৯৮৮ সালের ৭ই জুলাই তারিখে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মুজাহিদ হােসেন শিবিরের সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন।
কবি দাউদ হায়দারের দেশ ত্যাগ
কালো সূর্যের কালো জ্যোৎস্নায় কালো বন্যায়’ একটি কবিতা, ছাপা হয়েছিলো ‘দৈনিক সংবাদ’ পত্রিকায়। কবিতাটি ছিলো বিভিন্ন ধর্মের নবী ও অবতারদের নিয়ে রচিত। ২৪ ফেব্রুয়ারিতে (১৯৭৪) তে কবিতাটি সংবাদের সাহিত্য পাতায় ছাপা হলে ঢাকা কলেজের এক শিক্ষক...
বযলুল রহমানের “জিজ্ঞাসা” বই নিষিদ্ধ
‘জিজ্ঞাসা’ নামক এক গ্রন্থ প্রকাশিত হয় ১৯৬৮ সালে। বইটির লেখক ছিলেন বযলুর রহমান। যিনি নিজে একজন আধ্যাত্মিক সাধক হয়েও ইসলাম সম্পর্কে এমন কিছু প্রশ্ন তোলেন যা ঐ সময়ের সমাজকে প্রবল এক ধাক্কা দেয়। বইটিতে তিনি...
আরজ আলী মাতুব্বরকে গ্রেফতার ও নির্যাতন
১৯৫১ সালের ২৭ মে বরিশালের ম্যাজিস্ট্রেট ফজলুল করিমের সাথে আরজ আলী’র সাক্ষাৎ হয়। সাক্ষাতে ম্যাজিস্ট্রেট জানান বিজ্ঞান চর্চার নামে আরজ আলী গ্রামের মানুষের ধ্যান ধারণা ভেঙে দিতে পারবেন না। জবাবে আরজ আলী জানান তিনি...
আবুল হুসেনকে গুলি করে হত্যার হুমকী
আবুল হুসেন ছিলেন প্রগতিবাদী সংস্কারমনা লেখক, সাহিত্যিক ও সংগঠক। ১৯২৭ সালে নিজের হাতে গড়া মুসলিম সাহিত্য সমাজের অধিবেশনে ‘আদেশের নিগ্রহ’ নামে একটি প্রবন্ধ পাঠ করেন। প্রবন্ধটি পরবর্তীতে ১৯২৯ সালে ঢাকার ‘শান্তি’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।...
“রঙ্গিলা রাসুল”-এর প্রকাশক রাজপালকে হত্যা
১৯২০-এর দশকে পাঞ্জাবের মুসলিমরা এবং হিন্দু আর্য সমাজের মধ্যে একটি ধর্মীয় সংঘাত সৃষ্টি হয়েছিল। এই সংঘাতের সূত্রপাত হয়েছিল যখন মুসলিমরা একটি পুস্তিকা প্রকাশ করেছিল, যেখানে হিন্দুদের দেবী সীতাকে পতিতা হিসেবে দেখানাে হয়। এর জবাবে আর্য...
হিন্দু ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে ডিরোজিওকে চাকুরী থেকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত
প্রচলিত ধর্মের বিরোধিতা, ছাত্রদের মাঝে মুক্তচিন্তা প্রকাশ ও প্রসারের কারণে ১৮৩১ সালের ২৩ এপ্রিল বাংলা জাগরণের অন্যতম পথিকৃৎ কলকাতা হিন্দু কলেজের শিক্ষক ডিরোজিওকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ কলেজ কর্তৃপক্ষ। কিন্তু, প্রবল ব্যক্তিত্বসম্পন্ন ক্ষণজন্মা এই...









