তুচ্ছ ঘটনায় দু’হাত পিঠমোড়া করে বেঁধে ৯ বছরের শিশু বুশরাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষিকা ও তার মা। পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা সদরের উপজেলা পরিষদের পেছনে সবুজবাগ এলাকার তাহাজিবুল বানাত হালিমা খাতুন মাহিলা হাফিজিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।
নির্যাতিত শিশুর বাবা মো. হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে দশমিনা থানায় ১২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার ৫ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২ বছর পূর্বে ওই মাদ্রাসায় বুশরাকে হেফজ বিভাগে ভর্তি করেন। বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় বিছানার চাদর ইঁদুরে কাটাকে কেন্দ করে উম্মে সালমা ও তার শিক্ষিকা মেয়ে হালিমা খাতুন ছাত্রী বুশরাকে দু’হাত পিঠমোড় করে বেঁধে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন। এ বিষয়টি কাউকে না জানিয়ে ৪ দিন অতিবাহিত করেন। ১০ ডিসেম্বর লোক মারফত নির্যাতনের ঘটনা জানতে পেরে রাত ১১টায় বুশরাকে তার মা নাছিমা বেগম উদ্ধার করে দশমিনা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করান। পরের দিন বুধবার বুশরার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দশমিনা হাসপাতালে ভর্তি করেন। বৃহস্পতিবার নির্যাতিত শিশুর বাবা মো. হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে ওই মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা উম্মে সালমা ও হালিমা খাতুন, মো. আবু বক্কর ছিদ্দিক, মো. ইব্রাহিম খলিল এবং মো. নাসির উদ্দিন ইমরানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে দশমিনা থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। এ ব্যাপারে উম্মে সালমা মুঠোফোনে বলেন, আমি ঘটনা জানি না, ওসি (তদন্ত) ঘটনাস্থলে আছেন। দশমিনা থানার ওসি এসএম জালাল উদ্দিন জানান, অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।