সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ‘স্বার্থে’ এ বছর থেকে দুবলার চরে রাসমেলা স্থায়ীভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।

 

তবে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা ‘পুণ্যস্নানে’ যেত পারবেন। পুণ্যার্থী বা তীর্থযাত্রী ছাড়া অন্যদের সুন্দরবনে ভ্রমণ বন্ধ রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গত সোমবার এ নির্দেশনা দিয়ে সংশ্লিষ্ট ১০ জেলার জেলা প্রশাসককে চিঠি পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের জেলা প্রশাসককে এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।

‘সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের স্বার্থে রাস পূর্ণিমা উপলক্ষে সুন্দরবনের অভ্যন্তরে দুবলার চরে (আলোরকোলে) রাসমেলা বন্ধ করা এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী ব্যক্তিগণ ব্যতীত অন্যান্য ধর্মাবলম্বী ব্যক্তিদের দুবলার চরে (আলোরকোলে) গমন সীমিতকরণ’ শিরোনামে এ চিঠি পাঠানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়, “ধর্মীয় স্পর্শকাতর বিষয় বিধায় রাস পূর্ণিমা উপলক্ষে শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পূজা ও পুণ্যস্নান চালু রাখা; সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের স্বার্থে রাসমেলা ২০২১ সাল থেকে স্থায়ীভাবে বন্ধ করা এবং ওই সময়ে পুণ্যার্থী/তীর্থযাত্রী সনাতন ধর্মাবলম্বী ছাড়া অন্যদের সুন্দরবনে প্রবেশ অনুমতি বন্ধ রাখার বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন।”

রাসমেলা মণিপুরীদের প্রধান উৎসব হলেও বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায় বিভিন্ন স্থানে এ উৎসব পালন করে থাকে। প্রতিবছর নভেম্বরের শেষ দিকে বসে এই মেলা।

বঙ্গোপসাগরের বুকে কুঙ্গা এবং মরা পশুর নদীর মোহনায় জেগে ওঠা দুবলার চরে দীর্ঘ কাল ধরে চলে আসছে রাস মেলা। হিন্দু ধর্মাবলম্বী পুণ্যার্থীরা এ সময়ে পুণ্যস্নানের জন্য এ চরে আসেন দলে দলে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

মন্তব্য করুন